এক বছরে ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস ৩০ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৭৫ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৬২ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৫৬ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৭ পয়সা।
২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৪১ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৫। এর ৪৫ দশমিক ৬১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮ দশমিক ৩৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।